দেশের আর্থিক বৈষম্যে দুশ্চিন্তা
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক: দারিদ্রতা,বেকারি,মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ মানুষের জীবনকে বিপর্যস্ত করে তুলেছে। বিশ্ব জুড়ে ধনী ও গরিবের বৈষম্য ব্যাপক মাত্রায় পৌঁছে গিয়েছে বলে মত বিশেষজ্ঞ মহলের। আর্থিক বৈষম্যে দুশ্চিন্তা বাড়ছে গোটা দেশে। “ওয়ার্ল্ড ইনইকোয়ালিটি ল্যাব”-এর বিশ্ব অসাম্য রিপোর্ট ২০২২ সালে ভারতকে চিহ্নিত করা হয়েছে দরিদ্র ও অসাম্যের দেশ হিসাবে। এক্ষেত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, উচ্চবর্গের মানুষেরা খুবই বিত্তশালী বা ধনী। এই উচ্চবর্গের প্রায় ১০শতাংশ মানুষের হাতে রয়েছে দেশের মোট আয়ের ৫৭ শতাংশ। নিম্নবর্গের হাতে রয়েছে শতকরা প্রায় ১৩ ভাগ।
একদিকে শোষণহীন-বৈষম্যহীন দেশের প্রত্যাশা করে চলেছেন সাধারণ মানুষ। তবে সমৃদ্ধ দেশের ভাবনায় বৈষম্য সীমাহীন। বিশেষজ্ঞ মহলের আরও বক্তব্য,বিশ্ব ক্ষুধাসূচকের তালিকায় ১১৬ টি দেশের মধ্যে ১০১ নম্বরে ভারত। দেশের আর্থিক বৃদ্ধি হলেও তার সুফল পেয়ে চলেছেন মুষ্টিমেয় দেশের মানুষ। আর্থিক -সামাজিক বৈষম্য দূর করার ভাবনা বাস্তবে কতখানি রয়েছে,তা নিয়ে প্রশ্নচিহ্ন রয়েই গিয়েছে। বিশ্বের সর্বোচ্চ বিত্তশালীদের তালিকায় আমাদের দেশেরও বেশ কিছু নাম রয়েছে। “ওয়ার্ল্ড ইনইকোয়ালিটি ল্যাব” ও “অক্সফাম”-এর রিপোর্টের ভিত্তিতে বিশেষজ্ঞমহলের মধ্যে প্রশ্ন থেকে যায়, দেশ ও সমাজের বৃহত্তর অংশের মানুষকে কোন খাদে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে ! (ছবি: সংগৃহীত)

